আজ || রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০
শিরোনাম :
  ভালো নেই গোপালপুরের বই ব্যবসায়ীরা       শিক্ষা বান্ধব ইউএনও সাঈকা সাহাদাত       চিরতরে চলে গেলেন ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ এন্ড্রু কিশোর       গোপালপুরের সেই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে আবারো পারাপার বন্ধ ঘোষণা       যমুনা নদীতে নিখোঁজ গোপালপুরের শিশু খায়রুলের মরদেহ উদ্ধার       গোপালপুরে গরুর খামারে অগ্নিকান্ড; ধারণা ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি       গোপালপুরে এমপি’র নানামুখী উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন       গোপালপুরে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু; কার্যালয় উদ্বোধন       গোপালপুরে স্কুল ও মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন       আজ শুক্রবার থেকে ২০১ গম্বুজ মসজিদে পুনরায় জুমা নামাজ শুরু    
 


গোপালপুরে কোটি টাকার সড়ক ঝিনাই নদীগর্ভে

নিজস্ব প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এককিলো নদীতীর সংরক্ষণ না করে পাড়ে নির্মাণ করা কোটি টাকার সড়ক নদীগর্ভে চলে গেছে।

গতকাল সরেজমিনে গিয়ে ঝিনাই নদীর তীরঘেষে নির্মাণ করা উপজেলার ঝাওয়াইল-জামতৈল সড়কের এচিত্র দেখা যায়।

সড়কের ভাঙ্গন ও নদীর তীর সংরক্ষণের অভাবে জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে স্থানীয়রা জানান, দাবি ছিল এককিলো নদী তীর সংরক্ষণের। কিন্তু তীর সংরক্ষণের আগেই কোটি টাকা ব্যয়ে এলজিইডি এক দশক আগে নদীরপাড়ে নির্মাণ করে সড়ক। সেসময় সড়কটির কিছু অংশ পাকাও করা হয়। বর্তমানে আবাদী জমিসহ সেই সড়ক গিলে খেয়েছে ঝিনাইনদী। তাই, পাঁচ গ্রামের মানুষকে চারকিলো ঘুরে কারো বাড়ির উঠোন, ঝোঁপজঙ্গল বা আবাদী জমি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হয়। রাস্তা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় চরপাড়া, পশ্চিম জামতৈল, দক্ষিণ গোলাবাড়ীর ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে খুবই অসুবিধা পড়তে হয়।

ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, শুস্ক মৌসুমে স্থানীয় সরকারের টাকায় ফেলা মাটি বর্ষায় নদী গর্ভে চলে যায়। ঝিনাই বাঁক খেয়ে এখানে অবিরাম ভাঙ্গে। তীর সংরক্ষণে গাইড বাঁধ না হওয়ায় সমস্যা মিটছেনা। পানি উন্নয়ন বোর্ড একাধিকবার তদন্ত করে গেছেন। তিন বছর কেটে গেছে। নদীর ভাঙ্গণে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে প্রতিবছর পাড় ভেঙ্গে, পাকা, কাঁচা সব ধরণের রাস্তা ভেঙ্গে নদীতে নামছে।

গোপালপুর এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী এম মোস্তফা জানান, নদীতীর ধরে দেড়কিলো রাস্তা পাকা হয়েছে। আরো এক কিলোর প্রস্তাব গেছে। কিন্তু ওই অংশ ভাঙ্গণপ্রবণ। তীর সংরক্ষণ না হলে আবার তা নদীর পেটে যাবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ঝিনাই নদীরতীর সংরক্ষণ ও ভাঙ্গণ রোধের জন্য ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে গেছে। বরাদ্দ পেলে এখানকার কাজ করা হবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ছোট মনির জানান, তিনি বিষয়টি নিয়ে তদবীর করছেন। কিন্তু করোনার কারণে এসব প্রকল্প পাস করতে একটু বিলম্ব হচ্ছে। প্রকল্প পাস হওয়া মাত্রই কাজ শুরু করা হবে।

Comments

comments


Top
error: Content is protected !!