আজ || শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০
শিরোনাম :
  ভালো নেই গোপালপুরের বই ব্যবসায়ীরা       শিক্ষা বান্ধব ইউএনও সাঈকা সাহাদাত       চিরতরে চলে গেলেন ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ এন্ড্রু কিশোর       গোপালপুরের সেই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে আবারো পারাপার বন্ধ ঘোষণা       যমুনা নদীতে নিখোঁজ গোপালপুরের শিশু খায়রুলের মরদেহ উদ্ধার       গোপালপুরে গরুর খামারে অগ্নিকান্ড; ধারণা ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি       গোপালপুরে এমপি’র নানামুখী উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন       গোপালপুরে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শুরু; কার্যালয় উদ্বোধন       গোপালপুরে স্কুল ও মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন       আজ শুক্রবার থেকে ২০১ গম্বুজ মসজিদে পুনরায় জুমা নামাজ শুরু    
 


গোপালপুরে বেত্রাঘাতে ছাত্রের দাঁত ভাঙ্গার অভিযোগে শিক্ষক আটক

কে এম মিঠু, গোপালপুর :

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বেত্রাঘাতে ছাত্রের দু’টি দাঁত ভেঙ্গে তিন খন্ড করার অভিযোগে জহুরুল ইসলাম জাবের নামে এক স্কুল শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে হেমনগর শশীমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন শেষ হলে হেমনগর তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ তাকে আটক করে। তিনি সৈয়দপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। আহত বিদ্যুৎ ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

বিদ্যুৎ জানায়, গত শনিবার তার শ্রেণির এক ছাত্রীর শরীরে বইয়ের স্পর্শ লাগার অভিযোগে শিক্ষক জাবের তাকে বেত্রাঘাত করেন। এক পর্যায়ে বেতের আঘাত মুখে লাগলে নিচের পাটির দু’টি দাঁত ভেঙ্গে তিন খন্ড হয়ে যায় এবং প্রচুর রক্তপাত হয়।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বিদ্যুৎ একজন দিনমজুরের ছেলে। ওই দিন আহত বিদ্যুৎকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে পরদিন রবিবার গোপালপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সোমবার সকালে বিদ্যুতের বাবা জামাল হোসেন গোপালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ হেমনগর শশীমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন শেষে বের হলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে গোপালপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।

বিদ্যুতের বাবা থানায় লিখিত অভিযোগে জানায়, তার ছেলে ওই শিক্ষকের নিকট অঙ্কে প্রাইভেট পড়তেন। এক মাসের বকেয়া পাঁচশত টাকা পরিশোধ করতে না পারায় আগে থেকেই ক্ষিপ্ত ছিলেন ওই শিক্ষক। ওই দিন এক বাহানায় উদ্দেশ্যমূলক ভাবে তার ছেলেকে নির্মমভাবে প্রহার ও অঙ্গহানি করেন। তিনি এর প্রতিকারসহ বিচার দাবি করেন।

গোপালপুর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত ছাত্রের বাবার লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষক জহিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিকাশ বিশ্বাস জানান, শিক্ষার্থীদের মানসিক বা শারীরিকভাবে শাস্তি দেয়ার কোন নিয়ম নেই। ঘটনার সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments

comments


Top
error: Content is protected !!