আজ শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:৫২ অপরাহ্


নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাল সনদে দেড় যুগ ধরে কলেজে চাকরি করছেন তিনি। এর মধ্যে প্রভাষক পদে চৌদ্দ বছর। আর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে ৫ মাস। দেশের এ কৃতি সন্তানের নাম খাদেমুল ইসলাম! গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ভোলারপাড়া গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে তিনি।
খাদেমুল হেমনগর ডিগ্রী কলেজের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের প্রভাষক হলেও বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০০ সালে তিনি নট্রামস ঘাটাইল কম্পিউটার টেনিং ইন্সস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে ছয় মাসের নামে মাত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে কম্পিউটার বিষয়ক সনদ লাভ করেন। নামে মাত্র এ কারণে, খাদেম তখন নারুচী স্কুল এ্যান্ড কলেজের অঙ্কের প্রভাষক ছিলেন। সেখানে নিয়মিত ক্লাস নিয়ে আবার ঘাটাইলে কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিলনা। নারুচী স্কুল এ্যান্ড কলেজে তার এমপিও না হওয়ায়, পরবর্তীতে তিনি কম্পিউটার বিষয়ক সনদ নিয়ে হেমনগর ডিগ্রী কলেজে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের প্রভাষক পদে যোগদান করেন। তার ইনডেক্স নাম্বার এলইসি ডি-৩০৭৩৫১৬, সাবজেক্ট কম্পিউটার।
সরেজমিনে জানা যায়, খাদেমুল ইসলাম বিএনপির আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে ২০০৫ সালের ১ জানুয়ারী তথ্য প্রযুক্তির বিষয়ে প্রভাষক পদে হেমনগর কলেজে যোগদান করেন। তখন কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতি ছিলেন একুশে গ্রেনেড হামলা মামলার আসামী ও সাবেক উপমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। ইন্টারভিউ বোর্ডের সদস্য ছিলেন গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সম্পাদক প্রয়াত সোহরাব হোসেন চেয়ারম্যান, হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম রোজ তালুকদার, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি প্রফেসর হাতেম আলী, ময়মনসিংহ জেলা মুসলিম লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আনিছুর রহমান তালুকদার এবং হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুস সালাম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খাদেমুল ইসলাম বগুড়ার তদান্তিন ন্যাশনাল ট্রেনিং এ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি ফর মাল্টিলিঙ্গুয়াল শর্টহ্যান্ড (নট্রামস) নিয়ন্ত্রণাধীন ঘাটাইল কম্পিউটার ট্রেনিং ইন্সস্টিটিউট থেকে ২০০০ সালে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে ‘ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি’ বিষয়ে সনদ সংগ্রহ করেন। সনদের সিরিয়াল নং ২৮৯১ এবং রেজিস্ট্রেশেন ২৯৩৭। এ সনদ সংগ্রহের আগেই নিয়ম বহির্ভূত ভর্তি ও রেজাল্ট প্রদানসহ নানা অনিয়ম করায়, ঘাটাইলের ওই প্রতিষ্ঠানটির স্বীকৃতি বাতিল করেন বগুড়ার নট্রামস। ট্রেনিং সেন্টারটি গুঁটিয়ে নেয়ার পর বিপুল অঙ্কের উৎকোচ নিয়ে গণহারে সনদ বিতরণ করে প্রতিষ্ঠানটি। খাদেমুল ঘাটাইল থেকে এ রকম একটি সনদ সংগ্রহ করেন। এ সনদ দিয়ে তিনি হেমনগর কলেজে প্রভাষক পদে আবেদন করেন। পরবর্তীতে চাকরিতে যোগদানের পর এমপিও ভূক্তিকরণের জন্য তিনি আবার প্রায় একই প্রক্রিয়ায় একই সিরিয়াল এবং একই রেজিস্ট্রেশন নম্বর সম্বলিত নট্রামসের আরেকটি পৃথক সনদ সংগ্রহ করেন। দ্বিতীয় দফায় সংগৃহিত সনদ ডিজি অফিস ও বেনবেইসে জমা দেন। সেটি দিয়েই হেমনগর কলেজে তার এমপিও হয়। উভয় সনদের রেজিস্ট্রেশন ও রোল নম্বর অভিন্ন হলেও শিক্ষাবর্ষে ভিন্নতা রয়েছে। একটিতে নট্রামস এর পরিচালকের দস্তখত নেই। অপরটিতে কর্তৃপক্ষের দস্তখত থাকলেও তা ঘষামাজা এবং পেস্টিং করার ছাঁপ সুস্পষ্ট। একই ব্যক্তির একই সিরিয়াল নম্বর ও একই রেজিস্ট্রেশন নম্বরে দুটো পৃথক সনদ হওয়ায় সব সময় সকলেরই কৌতূহল ছিল।
হেমনগর কলেজ পরিচালনা পরিষদের সাবেক সদস্য, শিমলাপাড়ার বাসিন্দা এবং হেমনগর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আব্দুল সালাম স্মৃতিচারণ করে জানান, গ্রেনেড হামলা মামলার আসামী সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ইন্টারভিউ বোর্ডের দিন তিনি অন্যতম সদস্য ছিলেন। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে প্রভাষক পদে খাদেমুলসহ তিনজন প্রার্থী ছিলেন। অপর দুই প্রার্থীকে খাদেমুল হায়ার করে নিয়ে গিয়েছিলেন। ইন্টানভিউ বোর্ডে রেজাল্ট খারাপ হলেও হেমনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক এবং কলেজ গভর্নিংবডির সদস্য প্রয়াত সোহরাব হোসেনের বিশেষ অনুরোধে খাদেমুলকে নিয়োগ দানের সুপারিশ করা হয়।
তিনি গোপালপুর বার্তাকে আরো জানান, সালাম পিন্টু ইন্টারভিউ বোর্ডে রেজাল্ট খারাপ করা খাদেমুলকে সিলেকশন দিতে না চাইলে সোহরাব চেয়ারম্যান বলেন, খাদেম বিএনপিতে যোগ দিয়েছে। দলের জন্য কাজও করছে। সুতরাং তাকে নিয়োগ দেয়া হোক। দলে নিবেদিতকর্মী হিসাবে কাজ করার কথা শুনে সালাম পিন্টু রাজী হন এবং খাদেমকে নিয়োগ দেয়া হয়। নিন্দুকেরা বলে থাকেন, বিপুল অঙ্কের উৎকোচ দিয়ে সোহরাব চেয়ারম্যানকে কৌশলে ম্যানেজ করেন খাদেম।


ভোলারপাড়া গ্রামের শিক্ষাবিদ আলীম হোসেন জানান, টাকা লেনদেনের মাধ্যমে সোহরাব চেয়ারম্যানকে ম্যানেজ করে খাদেমুলের চাকরি বাগিয়ে নেয়ার বিষয়টি ছিল ওপেন সিক্রেট। সে কথা সবাই জানেন।
বর্তমান গভর্নিংবডির সদস্য নুরুল ইসলাম জানান, এলাকায় তখন চাউর হয়ে গিয়েছিল যে, বিপুল অঙ্কের উৎকোচ দিয়ে খাদেমুল কলেজের চাকরি ম্যানেজ করেছিলেন। জাল সনদে চাকরি নিয়ে খাদেমুল কখনো কলেজের কোন খেদমত করেনি। বরং কলেজ এলাকায় ‘ইকরা কোচিং’ নামে একটি সেন্টার খুলে হেমনগর কলেজের নামে বরাদ্দ দেয়া বৈদ্যুতিক মিটার থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নিয়ে নিজের খেদমত করেছেন। এজন্য এলাকাবাসিরা খাদেমকে ডাকেন আপনা খেদমতকার-ই-খাদেমুল।
খাদেমুলের জাল সনদের বিষয়টি আলোচনায় আসে গত জুন মাসে হেমনগর ডিগ্রী কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর কলেজ অধ্যক্ষ বীরেন্দ্র চন্দ্র গোপ অবসরে যান। উপাধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ পান নূরুল ইসলাম। তিনি টানা ছয় মাস ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে অধ্যক্ষসহ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর ৫টি শূণ্যপদ পূরণের বিষয় সামনে চলে আসে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল, যারা সাবেক এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামানের নাম ভাঙ্গিয়ে হেমনগর কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য করে আসছিল, তারা তৎপর হয়ে উঠে। এসব শূণ্য পদে নিয়োগ দিয়ে তারা কোটি টাকা কামানোর ধান্ধায় লিপ্ত হয়। এ যড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে ম্যানেজিং কমিটির একটি অংশ খন্দকার আসাদুজ্জামানকে ভুল বুঝিয়ে গত জুন মাসে জুনিয়র লেকচারার খাদেমুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ দেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জারীকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদ শূণ্য হলে সহকারি প্রধান ভারপ্রাপ্ত প্রধান হবেন। সহকারি প্রধান না থাকলে শিক্ষকদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ওই পদে দায়িত্ব পাবেন। সেই নিয়মানুযায়ী হেমনগর কলেজের অধ্যক্ষ বীরেন্দ্র চন্দ্র গোপ অবসরে যাওয়ার পর উপাধ্যক্ষ নূরুল ইসলামের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হবার কথা। কিন্তু তাকেসহ সিনিয়র ১২ জনকে পাশ কাটিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত কনিষ্ঠ প্রভাষক খাদেমুল ইসলামকে গভর্নিংবডি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ দেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, গভর্নিংবডির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আসাদুজ্জামানকে ম্যানেজ করে একটি চক্র এ দুস্কর্ম করেন। কলেজের অধ্যক্ষসহ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কয়েকটি পদে নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্য সাবেক সাংসদের অনুগ্রহভাজন একটি কুচক্রীমহল ছককষে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে নূরুল ইসলামের পরিবর্তে জাল সনদধারি খাদেমুলকে নিয়োগ দেন। গত জুলাই মাসে ওই চক্রটি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পিঠে সওয়ার হয়ে নিয়োগ বাণিজ্য করার ধান্ধায় নামেন। বিষয়টি আচ করতে পেরে গভর্নিংবডির একটি অংশ বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। প্রতিবাদ করে সুফল না পাওয়ায় কলেজ গভর্নিংবডির সদস্য এবং হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রওশন খান আইয়ুব গত জুলাই টাঙ্গাইল আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। তবে মামলাটি এখনো আদালতে চলমান রয়েছে।
এদিকে আগামী ১০ নভেম্বর কলেজের গভর্নিংবডির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। কে হবেন কলেজের পরবর্তী সভাপতি আর কে কে হবেন পরিচালনা পরিষদের সদস্য তা নিয়ে চলছে নানা লবিং, গ্রুপিং ও ষড়যন্ত্র। সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আসাদুজ্জামান সমর্থিত সুবিধাবাদী গোষ্ঠিটি সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অপরাজিতা হককে কলেজের সভাপতি করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। আর তার প্রতিপক্ষরা স্থানীয় সংসদ সদস্য ছোট মনিরকে গভর্নিংবডির সভাপতি করার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পাঠিয়েছেন। আর জাল সনদের খাদেমুল খন্দকার সমর্থকদের শিখন্ডি হিসাবে কাজ করছেন। ইতিমধ্যে অপরাজিতা হককে প্রধান করে এডহক কমিটি গঠন এবং পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে চক্রটি। ছোট মনিরকে গভর্নিংবডির প্রধান করা হলে কার্যসিদ্ধি হবেনা ভেবে তারা তটস্ত হয়ে পড়েছেন। দ্রুত কাজ সমাধানের জন্য এখন খন্দকার সমর্থক অতিতৎপর। এ কাজে সার্বিক সহযোগিতা করছেন খাদেমুল।
এদিকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খাদেমুল ইসলামের জাল সনদে চাকরি করার বিষয়ে তদন্ত ও প্রতিকার চেয়ে, টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা অফিসার লায়লা খানম বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন হেমনগর ডিগ্রী কলেজের ম্যানেজিং কমিটির কয়েক সদস্য। আবেদনে বলা হয়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খাদেমুল ইসলাম জাল সনদ দিয়ে কলেজে প্রভাষক পদে চাকরি নিয়েছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। এমনকি সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে তাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে বেআইনীভাবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং কলেজ গভর্নিংবডির সদস্য রওশন খান আইয়ুব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি সবাই জানেন। এটি ওপেন সিক্রেট। কলেজটিকে অনয়িমের মৃগয়াক্ষেত্রে পরিণত করার জন্য সাবেক এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামানকে ভুল বুঝিয়ে জাল সনদধারিকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করেছেন একটি চক্র। যারা কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য করার ধান্ধায় আছেন। তিনি এসবের প্রতিকার দাবি করেন।
কলেজ গভর্নিংবডির সদস্য এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার জানান, সকল সিনিয়রকে পাশ কাটিয়ে মোস্ট জুনিয়রকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করার মিটিংয়ে তিনি ছিলেন না। পরে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। জাল সনদের অভিযোগের কথাও তিনি শুনেছেন বলে জানান।
এদিকে ঘটনার সত্যতা যাচাইবাছাই করার জন্য মিডিয়াকর্মী এবং গভর্নিংবডির একটি টীম সম্প্রতি বগুড়া নেকটার (অধুনালুপ্ত নট্রামস) কার্যালয়ের পরিচালক শাফিউল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। খাদেমুলের দুটি পৃথক সনদের ফটোকপি সেখানে জমা দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অফিসে অনুসন্ধান চালিয়ে নট্রামস বা নেকটার কর্তৃক অতীতে কখনো এ ধরনের সনদ সরবরাহ করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেন।
টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস জানায়, হেমনগর ডিগ্রী কলেজের ভারপাপ্ত অধ্যক্ষ খাদেমুল ইসলামের জাল সনদ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খাদেমুল ইসলাম জানান, তিনি জাল সনদে চাকরি নেননি। তার প্রথম সনদটি ঘাটাইল থেকে নেয়া। সেটি সন্দেহযুক্ত মনে হওয়ায় তিনি পরবর্তীতে বগুড়ার মীনা মাল্টিমিডিয়ায় ভর্তি হন এবং সেখান থেকে নট্রামসের প্রকৃত সনদ সংগ্রহ করেন। একটি মহল তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

Comments

comments



আরও পড়ুন

গোপালপুরে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত

গোপালপুরে বেগম রোকেয়া দিবসে জয়িতাদের সংবর্ধনা

গোপালপুরে যুবলীগ নেতা এনামুল হকের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

গোপালপুরে দেয়াল ধসে পড়ে ট্রাক শ্রমিক সমিতির সদস্য নিহত

গোপালপুরের নলিন বাজারে অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান পুড়ে ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

গোপালপুরে ঝাওয়াইল মহারাণী হেমন্তকুমারী উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী পুণর্মিলনী

টাঙ্গাইল জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি গোপালপুর থানার মুস্তাফিজুর রহমান

গোপালপুর মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনী তফসিল ঘোঘণা

গোপালপুরে ১৬১০ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

গোপালপুরে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

Top